গরমের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে নিমিষেই দূর করতে মানুষ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা আমাদের কাছে বহুল পরিচিত শব্দ এসি’র উপরেই ভরসা রাখেন বেশি। এসি করা কক্ষে থাকলে এমনিতেই শরীরের পানির অভাব দেখা দেয়। যে ঘরে এসি থাকে সে ঘরের বাতাস খানিকটা মরু অঞ্চলের বাতাসের মতোই শুষ্ক। বাড়ি বা অফিস—দীর্ঘক্ষণ এসির কৃত্রিম বাতাসে থাকলে ত্বকের আর্দ্রতায় টান পড়ে, তখন ত্বকের ক্ষতি হয়।

ত্বক শুষ্ক করার পাশাপাশি স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত ত্বকেও সমস্যা বেড়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ এমন কৃত্রিম ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকার ফলে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, ত্বকে ভাঁজ পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই এমন পরিবেশে থাকলে কিছু বাড়তি সুরক্ষা নেয়া প্রয়োজন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এসিতে ত্বকের সুরক্ষায় যা করবেন সে সম্পর্কে-

এসিতে ত্বকের সুরক্ষায় করণীয়
সাবানের পরিবর্তে ক্লিনজিং মিল্ক বা জেল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। কারণ, সাবান ত্বককে শুষ্ক করে।

শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ঢোকার আগে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন এবং সঙ্গে রেখেও দিন। ময়েশ্চারাইজার হিসাবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও

ভারী কোনো লোশন বা ক্রিমও মাখতে পারেন।

অন্ততপক্ষে প্রতি মাসে একদিন ফেসিয়াল করুন। এতে আপনার ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।

এসিতে থাকলে ত্বকের যত্ন নিতে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া প্রয়োজন। দিনে অন্তত দুই থেকে তিন লিটার পানি খাওয়া আবশ্যক।

ত্বক মসৃণ, টানটান এবং উজ্জ্বল রাখার জন্য টোনিং করুন। তুলোয় গোলাপ জল দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন।

একটানা দীর্ঘক্ষণ বাতানুকূল যন্ত্রের বাতাসে না থেকে মাঝেমাঝেই বাইরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে ঘুরে আসুন।

কমলালেবুর রস মিশিয়ে মাঝে মধ্যে মুখে লাগান। এতে, ত্বক নরম ও মসৃণ হয়।

শুধু ত্বক, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ঠাণ্ডা বাতাস ঠোঁট রুক্ষ করে তোলে। তাই ঠোঁটের কোমলতা ও মসৃণতা বজায় রাখতে ব্যবহার করতে পারেন পেট্রোলিয়ামজাত জেলি। চাইলে লিপগ্লসও লাগিয়ে রাখতে পারেন।